National ADLASB Legal Tech Hackathon-এ গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন ঢাবির ‘Res Judicata Digitalis’
২৫০টিরও বেশি দলের প্রতিযোগিতা পেরিয়ে শীর্ষ ১০-এ একমাত্র ঢাবি দল; জিতেছে ৩০ হাজার টাকা পুরস্কার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীর দল ‘Res Judicata Digitalis’ National ADLASB Legal Tech Hackathon 2026-এ Grand Champion হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন দলটি ৩০ হাজার টাকা পুরস্কার পেয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের Excellence of Dhaka University পেজে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে এবং UNDP Bangladesh-এর সহযোগিতায় পরিচালিত ADLASB Project-এর আওতায় এই হ্যাকাথনের আয়োজন করা হয়। দেশব্যাপী ২৫০টিরও বেশি দল নিয়ে শুরু হওয়া প্রতিযোগিতা শেষে ১০টি দল চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয়। শীর্ষ ১০-এর চূড়ান্ত পর্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একমাত্র দল হিসেবে অংশ নেয় ‘Res Judicata Digitalis’।
চ্যাম্পিয়ন দলটিতে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী উম্মা উসওয়াতুন রাফিয়া ও সাদিয়া মেহরিন। দলের অন্য তিন সদস্য ফারহান লাবিব আহন, রাইমা হৃদিকে ও শাহরিয়ার ইসলাম সম্রাট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
চূড়ান্ত পর্বে দলটির কাজ ছিল একটি সমন্বিত Digital Legal Aid System-এর প্রোটোটাইপ তৈরি করা। এই সিস্টেমের মাধ্যমে পাঁচ ধরনের নাগরিক ব্যবহারকারী বা ‘citizen persona’ এবং সাত ধরনের সেবা প্রদানকারী ভূমিকার প্রয়োজনকে একই প্ল্যাটফর্মে সমন্বয় করার পাশাপাশি ১১টি উন্নত প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার লক্ষ্য রাখা হয়।
দলটির তৈরি সমাধানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল জটিল আইনি পরিস্থিতিতে বিভিন্ন সেবাদানকারীকে একটি সমন্বিত কার্যপ্রবাহের মাধ্যমে যুক্ত করা, যাতে ঝুঁকিপূর্ণ ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর আইনি সহায়তার প্রয়োজনগুলো একটি সমন্বিত কেস রেকর্ডের মাধ্যমে পরিচালনা করা যায়।
প্রতিযোগিতার মূল লক্ষ্য ছিল প্রযুক্তি ও আইনকে একত্র করে নাগরিকদের জন্য আরও কার্যকর ও সমন্বিত আইনি সহায়তা ব্যবস্থার সম্ভাবনা তৈরি করা। সেই প্রতিযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের সমন্বিত দলটির এই সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃবিভাগীয় প্রযুক্তি ও আইনভিত্তিক উদ্ভাবনের সক্ষমতাকেও সামনে এনেছে।