ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংগঠন মৈত্রী পরিবারের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক পিকনিক, নবীনবরণ ও পুনর্মিলন ২০২৬। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মুন্সিগঞ্জের মডার্ন পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। পিকনিকের আনন্দ, নবীনদের বরণ এবং সাবেক সদস্যদের পুনর্মিলনকে কেন্দ্র করে দিনভর উৎসবমুখর পরিবেশে সময় কাটান মৈত্রী পরিবারের সদস্যরা।

দিনব্যাপী আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল নবীনবরণ পর্ব। মৈত্রী পরিবারের নতুন সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়। নবীনদের নিয়ে আয়োজন করা হয় বিভিন্ন ধরনের আনন্দঘন ও বিনোদনমূলক ইভেন্ট। এসব আয়োজনে নবীনদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে প্রাণবন্ত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

নবীনবরণের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে ছিল সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও বিভিন্ন বিনোদনমূলক আয়োজন। গান, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং নানা ইভেন্টের মধ্য দিয়ে দিনব্যাপী আনন্দে মেতে ওঠেন সংগঠনের সদস্যরা। নবীন ও পুরোনো সদস্যদের সম্মিলিত অংশগ্রহণে প্রতিটি আয়োজনেই ছিল উৎসবের আমেজ।

আয়োজনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল পুনর্মিলন। মৈত্রী পরিবারের বিভিন্ন সময়ের সদস্যরা এতে অংশ নেন। বিশেষ করে ১৯৯৩–৯৪ সালের কমিটির সদস্যরা বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিন পর সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের একসঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হওয়ায় আয়োজনটি আরও অর্থবহ হয়ে ওঠে। তাদের সঙ্গে বর্তমান সদস্য ও নবীনদের পরিচয়, মতবিনিময় ও স্মৃতিচারণে অনুষ্ঠানে তৈরি হয় আন্তরিক পরিবেশ।

পিকনিককে কেন্দ্র করে সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। একসঙ্গে আনন্দ, আড্ডা, সাংস্কৃতিক আয়োজন ও বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেওয়ার মধ্য দিয়ে দিনটি পরিণত হয় মৈত্রী পরিবারের সদস্যদের একটি আনন্দঘন মিলনমেলায়।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মৈত্রী পরিবারের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বাজেটের আয়োজন। বড় পরিসরে আয়োজিত এবারের অনুষ্ঠানে পিকনিক, নবীনবরণ ও পুনর্মিলনকে একসঙ্গে যুক্ত করে সদস্যদের জন্য একটি স্মরণীয় দিন উপহার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

নবীনদের বরণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ইভেন্ট, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সাবেক সদস্যদের উপস্থিতি এবং দিনভর আনন্দ-উৎসব—সব মিলিয়ে মৈত্রী পরিবারের সদস্যরা কাটিয়েছেন একটি প্রাণবন্ত ও স্মরণীয় দিন। আয়োজকদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে মৈত্রী পরিবারের বিভিন্ন প্রজন্মের সদস্যদের মধ্যে যোগাযোগ ও পারস্পরিক বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।