ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ৫৪তম সমাবর্তন আগামী ২৬ জানুয়ারি ২০২৭ (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত হবে। সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাপানের সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের (এসপিএফ) প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. আতসুশি সুনামি। এ ছাড়া সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ১ নভেম্বর, যা চলবে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত।

সমাবর্তন বক্তা অধ্যাপক ড. আতসুশি সুনামিকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব ল’জ’ ডিগ্রি প্রদান করা হবে। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ট্রাস্ট ফান্ডের অন্যতম দাতা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ হারুনুর রশিদকে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব সায়েন্স’ ডিগ্রি প্রদান করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেটের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সমাবর্তনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সভাপতিত্ব করবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছেন বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। সমাবর্তন সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের লক্ষ্যে গত রোববার (১১ অক্টোবর) নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সভায় প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, সিনেট সদস্য মো. আমানউল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন ও এ. কে. এম. ফজলুল হক মিলনসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভাগের চেয়ারম্যান, ইনস্টিটিউটের পরিচালক এবং বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশিত বিভিন্ন পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ডিগ্রি অর্জনকারী গ্র্যাজুয়েট ও পদকপ্রাপ্তরা এ সমাবর্তনে অংশ নিতে পারবেন। অংশগ্রহণের জন্য আবেদন করা যাবে ১ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত। সমাবর্তন আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে সভায় একটি নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং বিভিন্ন উপকমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম সমাবর্তন সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে উপকমিটিগুলোকে দ্রুত কাজ শুরু করার নির্দেশনা দেন তিনি। এ সময় শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু শিক্ষার পরিবেশ বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান উপাচার্য।